
আশাশুনি প্রতিনিধিঃ-
সাতক্ষীরা আশাশুনি সাব-রেজিস্টার মিন্টু চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিষয় আলোচনায় এসেছে। চরম জনদুর্ভোগে পড়েছে সাতক্ষীরা আশাশুনি বাসি। পাশাপাশি রাষ্ট্র হারাচ্ছে রাজস্ব। সাব-রেজিস্টারের সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির ফলে সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে। সরকারি এই অফিস এখন দালালের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সাব-রেজিস্টার মিন্টু চক্রবর্তীর নিজে ও তার সিন্ডিকেট সদস্যরা মাদকাসক্ত, চারিত্রিকভাবে নির্লজ্জ এবং পর-নারীতে আসক্ত। নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করে চলেছে। দুর্নীতিবাজ, অসৎ ও নেশাগ্রস্ত কিছু কর্মচারী (দলিল লেখক, নকলনবিশ ও দালালচক্র) নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। , আশাশুনি সাব রেজিস্টার নকল নবীশ নির্মল সরকার, সহ অন্যান্য কর্মচারী নিয়ে সিন্ডিকেটের মূল সদস্য গড়ে উঠেছেন। সাতক্ষীরা আশাশুনি সাব-রেজিস্টার অফিসে ঘুষ ছাড়া কোনো দলিল হয় না। এ যেন এক দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য।
মিন্টু চক্রবর্তীর সাতক্ষীরা আশাশুনি সাব-রেজিস্টার অফিসে যোগদান করার পর। ইত:পূর্বে তিনি সাবেক কর্মস্থলে তার বিরুদ্ধে পাহাড় পরিমান দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সাতক্ষীরা আশাশুনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করার পর থেকে বেরিয়ে আসছে তার বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নৈতিক স্খলনে জড়িয়ে পড়ার মতো ঘটনা।
সিন্ডিকেটের মধ্যে আশাশুনি সাব রেজিস্টার নকল নবীশ নির্মল সরকার সাব-রেজিস্টার এর প্রতি রয়েছে তার বিশেষ সহযোগিতা ও প্রভাব। সাব-রেজিস্টার উল্লেখিত সদস্যদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উত্তোলন, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি ও জন-ভোগান্তির রাজ্য তৈরি করছেন। তাই ছাড়াও তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও নেশায় আসক্ত বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এছাড়া অফিস সহকারী নির্মল সরকার তাকে নারী ও মদ সরবরাহ করে থাকে।
বর্ণিত কর্মকর্তার অফিসে যেকোনো দলিল রেজিস্ট্রি হতে হলে সরকারের নির্ধারিত ফি এর পরিবর্তে তার নির্ধারিত অর্থ প্রদান করতে হয়। অন্যথায় সেবা প্রত্যাশীদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়। একটি সাফ কবলা দলিল লাখে ১ হাজার টাকা, পরবর্তী ১০ লাখ পর্যন্ত প্রতি লাখে ৪০০ টাকা, দশ লাখের ঊর্ধ্বে হলে প্রতি লাখে ৩০০ টাকা এবং দলিল মূল্য এক কোটির ঊর্ধ্বে হলে আলোচনার মাধ্যমে রেট ঠিক ক

